Share this on:
 E-mail
10
VIEWS
0
COMMENTS
 
SHARES
About this iReport
  • Not verified by CNN

  • Click to view Dipendu's profile
    Posted July 30, 2014 by
    Dipendu
    Location
    New York, Delhi, Hyderabad and, New York
    Assignment
    Assignment
    This iReport is part of an assignment:
    First Person: Your essays

    More from Dipendu

    Lyrical Nation

     
    পূর্ব এশিয়ার নতুন গণতন্ত্রের দেশ বাংলাদেশ। বাংলাদেশে আবার কি নির্বাচন আসন্ন? আগ বাড়িয়ে আমার বলার অধিকার নেই। তবে গণমাধ্যমের তৎপড়তা খুব আস্তে হলেও নজর কাড়ছে। এই সময় এবং এমত অবস্থায় নতুন গণতন্ত্রের সূতিকাগার প্রসঙ্গে কয়েকটি কথার অবকাশ খুঁজে নিলাম। বাংলাদেশে ভোট হয়েছিল মাস সাতেক আগে। তথ্য যা পাছি তা এই রকম। Election were held in Bangladesh on 5 January, 2014, in accordance with the constitutional requirement that election must take place within the 90-day period before the expiration of the 'Jatiya Sangsad' on 24 January, 2014. We have past that is 1973, 1979, 1988, 1991 and 15th February 1996.
    অশান্ত তথা রক্তাক্ত বাংলাদেশ বিভিন্ন সামাজিক এবং রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার মধ্যে থেকে বাঙালি জাতির গঠনে ব্যস্ত বলেই অনুমান করা যায়। বর্তমান সময়ের বিভিন্নতা তথা আর্থ-রাজনৈতিক বিষয়ে যাওয়ার আগে। অতীতের বাংলাদেশকে কিছুটা জেনে নিতে চাইছি।
    ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর প্রথমদিকে বিভিন্ন পরীক্ষা- নিরীক্ষা হয়েছে। যেমন স্থানীয় আম ব্যবস্থার রাজনইতিকভবে নেতৃত্বের দায়িত্ব নিয়ে আওয়ামীলীগ, বাকশাল ও বিএনপির সরকার গঠন ও শাসন সব রকমভাবে ব্যর্থ হওয়ার পর সামরিক বাহিনী পরিচালিত পুরনো মডেল বা পাকিতানের অনুকরণে নতুন এক প্রক্রিয়া বেশ কিছুদিন চলে। এই সাম্- রিক বাহিনীর প্রত্যক্ষ নেতৃত্ব থেকে এরশাদ সাহেব শেষতম উদাহারণ।
    বাংলাদেশের এই অস্থীর রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে সামাজিক- সাংস্কৃতিক চরিত্র ক্রমশঃ হারিয়ে যেতে থাকে। আরথ-সামাজিক অবস্থার মান বিদেশী সাহায্যে উন্নত হলেও রাজনৈতিক কারণে বাংলাদেশ পথ হারাচ্ছিল।
    বাংলাদেশ এই আভ্যন্তরীণ সমস্যা থেকে বেড়িয়ে আস্তে কিছুদিন এনঞ্জিও আন্দোলন সংগঠিত করে। এনজিও আন্দোলন নিয়ে মুম্বাইয়ে ১৯৯৪ সালের ২৭ শে নভেম্বর অনুষ্ঠিত রাজনীতি এবং এনজিও সমূহের ভূমিকা শীর্ষক আলোচনা চক্রে পি-জে-জেমসের ভাষণ থেকে কিছু অংশ বেছে নিয়ে বাংলাএশকে চিনতে চাইছি।
    --------'' জাতীয় বাঁ আন্তর্জাতিক স্তরে এনজিও সবেছাসেবি সংস্থার কার্যকলাপ আন্তর্জাতিক পুঁজির চিন্তাবিদদের সবচেয়ে দূরদর্শী পদক্ষেপের অন্যতম। এনজিও সংস্থাগুলির কাজ বিশ্বের নিরন্ন গরীব মানুষের হাজির করে সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের দৈনন্দিন সমস্যা সমাধানের জন্য প্রচেষ্টা শুরু করে আন্তর্জাতিক পুঁজির প্রবক্তারা। ------এই সময়কালে শ্রেণী সম-ঝোতাবাদী থেকে শুরু করে নব্য-মার্ক্সবাদী তত্ব পর্যন্ত বিভিন্ন জায়গা থেকে বৌদ্ধিক সম্পদ আহ্রণ করে বিভিন্ন এনজিও দারিদ্র, শোষণ, নিপীড়ক ব্যবস্থা, মানবিক অধিকার, শান্তি, প্-রিবেশ, নারী স্-মসযা, শিশু শ্রম ইত্যাদির বিশ্লেষণেে পারদর্শী হতে শুরু করে। জন বিরোধী দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কাঠামোগত সং-স্কার কর্মসূচী যখন খ্যাতিলাভ করে সেই সময় থেকে অর্থাৎ আশির দশক থেকে মার্কিন সরকারের অনুদান সংস্থা ইউ এস এড পঞ্চাশটি এনজিওকে অর্থ সাহায্য করতে থাকে। উদ্দেশ্য ''বিশ্বব্যাপী ক্ষুধা ও দারিদ্রের মূল কারণগুলি নিয়ে বিভিন্ন জায়াগায় বিশ্লেশণ এবং আলচনার ব্যবস্থা করা। যাতে করে স্-রকারি, বেসরকারি বিকাশ সহায়তা কর্মসূচিকে বিস্তৃত জোরাদার করা জায়। এবং উন্নয়ন শিক্ষার সাথে জড়িত সংগঠনগুলি বাড়ানো যায়।'' (USAID, ''উন্নয়ন শিক্ষা কর্মসূচীতে অনুদানের নিরদেশাবলী,'' আর্থিক বছর ১৯৮৭, ওয়াশিংটন ডিসি)। পি জে জেমস সাহেবের উপসংহার থেকে বাংলাদেশ নির্বাচনের প্রেক্ষাপট পাওয়া জায়। দশ বছর (২০০১ পর্যন্ত) বাংলাদেশে এক নিরপেক্ষ তদারকী সরকারের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    এই প্রজন্মের আন্দোলন যারা করছেন তাঁরা ইতিহাস জানেন। এই বছরের নির্বাচনের আগে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার দাবিতে যত রক্ত ঝড়েছে সেটা মাথায় রাখলে বাংলাদেশ 'মুক্তিয়ুধের' কথা মনে পড়ে জায়। এমত আবস্থায় বিএনপি 'জাতীয় সংসদের বাইরে থেকে যাওয়ায় আওয়ামী লীগ নেত্রী তথা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চ্যালেঞ্জ নিয়েছেন।
    শেখ হাসিনা এক সাংবাদিক সম্মেলনে তার সদ্যসমাপ্ত ব্রিটেন সফর নিয়ে নানা প্রশ্নের জবাব দেন। তার কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল - ওই বৈঠকে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে ডেভিড ক্যামেরন হতাশা প্রকাশ করেছে বলে বিএনপি অভিযোগ করছে। এ বিষয়ে তার বক্তব্য কি?
    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, "যুক্তরাজ্য সরকার ৫ জানুয়ারির নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করেনি এবং তাদের সরকারকেও প্রত্যাখ্যান করেনি। শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার ক্ষেত্রেও তাদের কোনো দ্বিধা ছিল না। যুক্তরাজ্য সরকারের যদি বাংলাদেশ সরকার সম্পর্কে কোনো দ্বিধা থাকত, তাহলে তাঁকে দেশটির প্রধানমন্ত্রী বারবার ফোন করে দাওয়াত দিতেন না।"
    "তিনি (ডেভিড ক্যামেরন) তো সরকারকে নাকচ করেননি। বলেন নি যে আমি প্রধানমন্ত্রী নই। ইলেকশন নিয়ে অনেক জায়গাতেই আলোচনা হবে, আলোচনা থাকতে পারে, কিন্তু ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী পেছনের দিকে না তাকিয়ে সামনের দিকে তাকাতে চান এবং বর্তমান সরকারের সাথে উন্নয়ন কর্মকান্ডে অতীতের মতোই একত্রে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন", বলেন শেখ হাসিনা।
    পাশাপাশি লন্ডন সফরের সময় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিরোধী দল বিএনপির সাথে আলোচনার সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়ে বলেছেন, জানুয়ারি মাসের নির্বাচনে অংশ না নিয়ে তারা ভুল করেছিল। তিনি বলেন, বিএনপির সাথে আলোচনার কথা কেন বলা হচ্ছে সেটা তাঁর বোধগম্য নয়।
    লন্ডনে বিবিসি বাংলার সাথে এক সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা বলেন, বিএনপি তার রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে ভুল করেছে এবং সেই ভুলের মাশুল তাদেরই দিতে হবে।
    “আমি একটা জিনিস বুঝিনা, সবাই আলোচনা আলোচনা করে এত ব্যস্ত কেন? আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজে টেলিফোন করেছিলাম, তার ফলাফল সবাই জানে। এখন কোন একটি রাজনৈতিক দল যদি পদক্ষেপ নিতে ভুল করে, তার দায়-দায়িত্ব কার?”, শেখ হাসিনা বলেন।
    সম্প্রতি শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে সামনের সারিতে আনতে চেয়ে বলেছেন, ''Prime Sheikh Hasina on 29th July, 2014, expressed her firm belief to turn Bangladesh into a front-ranking developed country by 2041 as envisioned in her party’s manifesto for the past general election, and sought cooperation of the country’s people in this regard.

    What do you think of this story?

    Select one of the options below. Your feedback will help tell CNN producers what to do with this iReport. If you'd like, you can explain your choice in the comments below.
    Be and editor! Choose an option below:
      Awesome! Put this on TV! Almost! Needs work. This submission violates iReport's community guidelines.

    Comments

    Log in to comment

    iReport welcomes a lively discussion, so comments on iReports are not pre-screened before they post. See the iReport community guidelines for details about content that is not welcome on iReport.

    Add your Story Add your Story